রাজশাহী অঞ্চলে অবশেষে এলো প্রাণ জুড়ানো বৃষ্টিরাবিতে ভাস্কর্য উল্টানোর ঘটনায় লিখিত অভিযোগরাজশাহীর পৃথক ঘটনায় ১২ লাখ ৭৫ হাজার টাকা ছিনতাইবাঘায় বীষমুক্ত বিদেশে রপ্তানীযোগ্য আম উৎপাদন বিষয়ক প্রশিক্ষণলাক্স সুন্দরী থেকে সুপ্রিম কোর্টের ব্যারিস্টারক্যামেরা রেখে আহত শিশুদের বাঁচালেন সাংবাদিকধর্মান্তরিত হয়ে হিন্দু-মুসলিম দুই স্ত্রী নিয়ে বিপাকে স্বামী, অতঃপর জেল হাজতেতিন মাসের শিশুকে আদালতে তলব!মমতার বিরুদ্ধে গরুর মাংস খাওয়ার অভিযোগশিব মন্দিরে বাজবে মাইক, সমঝোতায় হিন্দু-মুসলিমফেসবুকে দুই বাকপ্রতিবন্ধীর প্রেম, লন্ডন থেকে বাংলাদেশেবাঁশের খুঁটিতে বিদ্যুৎ জিআই পাইপে গ্যাসএকটি রসগোল্লার কারণে ভেঙে গেল বিয়ে!রাতে গৃহবধূর ঘরে পুলিশ, তালা লাগিয়ে গণপিটুনিপাবনায় যাত্রীবাহী বাস উল্টে নিহত ৩
০১ মে, ২০১৭
        

নাটোরে মাকে নির্যাতন করায় বাবাকে কুপিয়ে জখম করেছে এক ছেলে

প্রকাশঃ ১১ ফেব্রুয়ারী, ২০১৭

নাটোরঃ নাটোরে এক মাকে নির্যাতন করায় বাবাকে কুপিয়ে জখম করেছে এক ছেলে। গুরুতর আহত অবস্থায় জাহাঙ্গীর হোসেন (৪৫) ও স্ত্রী হেলেনা খাতুনকে (৩৮) রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রাতে সদর উপজেলার পাইকেরদোল গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সুত্রে জানা যায়, শুক্রবার দিবাগত রাতে পারিবারিক বিষয় নিয়ে জাহাঙ্গীর হোসেনরে সাথে তার স্ত্রী হেলেনা খাতুনের ঝগড়া বাধে। ঝগড়া চলাকালে জাহাঙ্গীর তার স্ত্রীকে মারপিট করতে থাকে। এর এক পর্যায়ে জাহাঙ্গীর ধারালো অস্ত্র দিয়ে স্ত্রী হেলেনাকে কুপিয়ে জখম করে। এতে ছেলে নয়ন হোসেন তার মাকে রক্তাক্ত দেখে ক্ষুদ্ধ হয়ে বাবা জাহাঙ্গীরকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে পালিয়ে যায়।

এসময় প্রতিবেশীরা ছুটে এসে রক্তাক্ত স্বামী-স্ত্রীকে উদ্ধার করে প্রথমে নাটোর সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে রাতেই স্বামী-স্ত্রী দুজনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

নাটোর সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ আবুল কালাম আজাদ জানান, গতকাল মধ্যরাতে রক্তাক্ত অবস্থায় জাহাঙ্গীর আলম ও হেলেনাকে হাসপাতালে আনা হয়। সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাপাতালে পাঠানো হয়েছে।

নাটোর সদর থানার ওসি মশিউর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঘটনার পর থেকে আহতদের ছেলে নয়ন হোসেন পলাতক রয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তবে এ বিষয়ে থানায় কোনো অভিযোগ করেনি কেউ।