রাজশাহী অঞ্চলে অবশেষে এলো প্রাণ জুড়ানো বৃষ্টিরাবিতে ভাস্কর্য উল্টানোর ঘটনায় লিখিত অভিযোগরাজশাহীর পৃথক ঘটনায় ১২ লাখ ৭৫ হাজার টাকা ছিনতাইবাঘায় বীষমুক্ত বিদেশে রপ্তানীযোগ্য আম উৎপাদন বিষয়ক প্রশিক্ষণলাক্স সুন্দরী থেকে সুপ্রিম কোর্টের ব্যারিস্টারক্যামেরা রেখে আহত শিশুদের বাঁচালেন সাংবাদিকধর্মান্তরিত হয়ে হিন্দু-মুসলিম দুই স্ত্রী নিয়ে বিপাকে স্বামী, অতঃপর জেল হাজতেতিন মাসের শিশুকে আদালতে তলব!মমতার বিরুদ্ধে গরুর মাংস খাওয়ার অভিযোগশিব মন্দিরে বাজবে মাইক, সমঝোতায় হিন্দু-মুসলিমফেসবুকে দুই বাকপ্রতিবন্ধীর প্রেম, লন্ডন থেকে বাংলাদেশেবাঁশের খুঁটিতে বিদ্যুৎ জিআই পাইপে গ্যাসএকটি রসগোল্লার কারণে ভেঙে গেল বিয়ে!রাতে গৃহবধূর ঘরে পুলিশ, তালা লাগিয়ে গণপিটুনিপাবনায় যাত্রীবাহী বাস উল্টে নিহত ৩
০১ মে, ২০১৭
        

দোকান ঘরে ৮দিন আটকে রেখে কিশোরীকে গণধর্ষণ

প্রকাশঃ ০৯ ফেব্রুয়ারী, ২০১৭

সিলেটের বিশ্বনাথে প্রেমিকের হাত ধরে পালিয়ে যাওয়া এক কিশোরীকে (১৭) ইনজেকশনের মাধ্যমে সংজ্ঞাহীন করে আট দিন আটকে রেখে গণধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ২৯ জানুয়ারি উপজেলার রামপাশা ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ছাতক-বিশ্বনাথ ও দক্ষিণ সুরমা উপজেলায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

এদিকে একটি প্রভাবশালী মহল এ ঘটনাকে ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তাই ঘটনার প্রায় ১২দিন অতিবাহিত হলেও মামলা করতে পারেনি ধর্ষিতার পরিবার। ধর্ষিতা কিশোরীর বাড়ি ছাতক উপজেলার আফজালাবাদ ইউনিয়নের দশঘর গ্রামে।

কিশোরীর ভাই জানান, ২৯ জানুয়ারি দুপুরে ওই কিশোরী বিশ্বনাথ উপজেলার রামপাশা ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর গ্রামের খলিলুর রহমানের ছেলে রুবেল মিয়া (২৮) তার বোনকে নিয়ে পালিয়ে যায়। রুবেল তার বাড়ির পাশের দোকানে ওই কিশোরীকে ইনজেকশনের মাধ্যমে সংজ্ঞাহীন করে আটকে রাখে। সেখানে রুবেল ও তার সহযোগী একই গ্রামের মৃত ওয়াব উল্লাহর ছেলে শফিক মিয়া, মৃত সাইদুর রহমানের ছেলে আফজল হোসেনসহ অজ্ঞাতনামা আরো দুইজন কিশোরীকে টানা আট দিন ধর্ষণ করে।

ধর্ষিতার ভাই আরো জানান, ৬ ফেব্রুয়ারি বিকালে তার বোনকে একটি সিএনজি চালিত অটোরিকশায় তুলে সিলেট শহরে পাঠিয়ে দিয়ে আমাকে ফোন করে ধর্ষণকারীরা। পরে সিলেট নগরীর কাজিরবাজার সেতুর উপর থেকে বোনকে উদ্ধার করি।

এসময় অটোরিকশা চালক বিশ্বনাথ উপজেলার রামপাশা ইউনিয়নের মনোহরপুর গ্রামের মৃত আবদুন নুরের ছেলে গফুর আলীকে আটক করে স্থানীয়রা।

পরে মুল্লারগাঁও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মখন মিয়ার কাছে নেয়া হলে অটোরিকশা চালক ও ধর্ষিতার কাছ থেকে ধর্ষণকারীদের নাম পাওয়া যায়। সেখান থেকে ওই কিশোরীকে সিলেটের একটি হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন তার ভাই।

বিষয়টি সাড়ে তিন লাখ টাকায় নিস্পত্তির চেষ্টা চলছে বলে জানা গেছে। তবে কিশোরীর ভাই এ বিষয়ে কিছু বলতে রাজি হয়নি।

চেয়ারম্যান মখন মিয়া জানান, বিষয়টি নিস্পত্তির জন্য ধর্ষণকারীদের মুরুব্বির জিম্মায় দেয়া হয়েছে। এছাড়া চালক এবং অটোরিকশাটি কামালবাজার অটোরিকশা স্ট্যান্ডের সাধারণ সম্পাদকের জিম্মায় রাখা হয়েছে।