ফেসবুকে পরিচয়: একটি লাশ ও রাজ শাহী কলোনির তরুণী''এক টিভি চ্যানেলের কর্তা আমাকে কুপ্রস্তাব দিয়েছিল''- ভারালক্ষ্মীমেঝ ভাইয়ের হাতে ছোট ৩ ভাইবোন খুন, বড় ভাইকে কুপিয়ে আহতটিভিতে আজকের খেলা : ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ইতিহাসের পাতায় আজকের এই দিনে : ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭বাইসাইকেলে বরযাত্রা!রজশাহীতে তিন নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার১৬ কোটি মানুষের দেশে একমাত্র নারী রিকশাচালক১৩ এসপি'কে বদলিএবার ট্রেনে সেলফি তুললেই জেল!অ্যাম্বুলেন্স নেই, সাইকেলে মেয়ের লাশ নিয়ে গেলেন বাবারাজশাহীতে পুলিশের সামনেই মাদক সেবন!সমকামী ২ যুবতীর গল্পরাজশাহীতে চুরির অপরাধে শিশুর মাথার চুল কেটে নির্যাতন!নাটোরে যুবকের মৃতদেহ উদ্ধার
২২ ফেব্রুয়ারী, ২০১৭
        

ঘুম ভেঙে মেয়ে দেখল বাবাকে খুন করছে মা, সঙ্গী তিন প্রেমিক

প্রকাশঃ ০৭ ফেব্রুয়ারী, ২০১৭

নিউজ ডেস্কঃ আদালতে মেয়েটি জানায়, ঘটনার দিন ঘুম ভেঙে যখন সে দেখে মা এবং আরও তিনজন মিলে বাবার গলা টিপছে, তখন সে জানতে চায়, কেন তারা এমন করছে। বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের জেরে স্বামী-স্ত্রীর হত্যার ঘটনা নতুন কিছু নয়। কিন্তু তার সাক্ষী যদি থাকে সন্তান, তাহলে শিশু মনে এর কী প্রভাব পড়ে, তা সহজেই অনুমেয়। মধ্যপ্রদেশের ইন্দৌরের একটি ঘটনায় অবশ্য মায়ের কুকীর্তি ফাঁস করে দিল ৯ বছরের মেয়ে। কারণ নিজের বাবার হত্যার সাক্ষী ছিল ফুটফুটে ওই শিশুটি। ঘটনাটি ঘটেছিল ২০১৫ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর মাসে। তিন প্রেমিককে সঙ্গে নিয়ে বাড়িতেই ৩২ বছরের স্বামী তুলসীরাম যোশীকে খুন করে স্ত্রী কীর্তিবালা যোশী।

তিন প্রেমিকের সাহায্যে নিজের স্বামীর গলা টিপে হত্যা করেছিল কীর্তিবালা। কিন্তু মাঝরাতে যখন কীর্তিবালা এই ঘটনা ঘটাচ্ছিল, তখন ঘুম ভেঙে যায় ৭ বছরের মেয়ের। ছোট্ট শিশুটিকে অবশ্য কীর্তিবালা জানায়, বাবার শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে বলে তাঁর চিকিৎসা করা হচ্ছে। খুন করার পরে বাড়িতেই ছিল কীর্তিবালা। আর তার তিন প্রেমিক অটোয় করে নিয়ে গিয়ে সেপ্টিক ট্যাঙ্কের মধ্যে দেহ লোপাট করে দিয়েছিল। পরে অবশ্য অভিযুক্ত স্ত্রী, তার তিন প্রেমিক এবং অটোরিক্সাচালক সমতে মোট পাঁচজনকে এই ঘটনায় গ্রেফতার করে পুলিশ। এই ঘটনায় শুক্রবার আদালতে সাক্ষী দেয় মৃতের ৯ বছরের মেয়ে। আদালতে সেই জানায়, কীভাবে নিজের চোখের সামনে মা এবং তার প্রেমিকদের হাতে বাবাকে খুন হতে দেখেছে সে।

আদালতে মেয়েটি জানায়, ঘটনার দিন ঘুম ভেঙে যখন সে দেখে মা এবং আরও তিনজন মিলে বাবার গলা টিপছে, তখন সে জানতে চায়, কেন তারা এমন করছে। তখন মা তাকে জানায়, বাবার শ্বাস নিতে সমস্যা হচ্ছে। কিন্তু ভয় পেয়ে সে কাঁদতে শুরু করায় তার মা মুখ চাপা দিয়ে তাকে পাশের ঘরে আটকে রাখে। কিছুক্ষণ পরে  দরজা খুলে দিলে সে দেখে, ঘরে বাবা নেই। বাবা কোথায় জানতে চাওয়ায় মা বলে, বাবাকে তিনজন কাকু হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছে। সকালে ফের তার মা বলে, বাবাকে খুঁজতে যেতে হবে। এর পরে অবশ্য সে জানতে পারে, তার মা'ই বাবাকে হত্যা করেছে। মা জেলে থাকায় এখন নিজের কাকার কাছে থাকে ছোট্ট শিশুটি। কিন্তু কোনওদিনই হয়তো দেড় বছর আগের সেই রাতটিকে ভুলতে পারবে না চাঁদনি।কালেরকন্ঠ।।