রাজশাহী অঞ্চলে অবশেষে এলো প্রাণ জুড়ানো বৃষ্টিরাবিতে ভাস্কর্য উল্টানোর ঘটনায় লিখিত অভিযোগরাজশাহীর পৃথক ঘটনায় ১২ লাখ ৭৫ হাজার টাকা ছিনতাইবাঘায় বীষমুক্ত বিদেশে রপ্তানীযোগ্য আম উৎপাদন বিষয়ক প্রশিক্ষণলাক্স সুন্দরী থেকে সুপ্রিম কোর্টের ব্যারিস্টারক্যামেরা রেখে আহত শিশুদের বাঁচালেন সাংবাদিকধর্মান্তরিত হয়ে হিন্দু-মুসলিম দুই স্ত্রী নিয়ে বিপাকে স্বামী, অতঃপর জেল হাজতেতিন মাসের শিশুকে আদালতে তলব!মমতার বিরুদ্ধে গরুর মাংস খাওয়ার অভিযোগশিব মন্দিরে বাজবে মাইক, সমঝোতায় হিন্দু-মুসলিমফেসবুকে দুই বাকপ্রতিবন্ধীর প্রেম, লন্ডন থেকে বাংলাদেশেবাঁশের খুঁটিতে বিদ্যুৎ জিআই পাইপে গ্যাসএকটি রসগোল্লার কারণে ভেঙে গেল বিয়ে!রাতে গৃহবধূর ঘরে পুলিশ, তালা লাগিয়ে গণপিটুনিপাবনায় যাত্রীবাহী বাস উল্টে নিহত ৩
০১ মে, ২০১৭
        

রাজশাহীতে চিকিৎসক বেশে বাড়িতে ঢুকে লুটপাট, দুই প্রতারক গ্রেপ্তার

প্রকাশঃ ০১ ফেব্রুয়ারী, ২০১৭

গোদাগাড়ী: রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে চিকিৎসকের বেশে বাড়িতে ঢুকে লুটপাট করে পালিয়ে যাওয়ার সময় দুই প্রতারককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। উপজেলার বাসুদেবপুর এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। পরে তাদের নামে দ্রুত বিচার আইনে থানায় মামলা হয়।

গ্রেপ্তার দুই প্রতারক হলেন, নওগাঁর মান্দা উপজেলার হাজি গোবিন্দপুর গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে রেজাউল করিম (৩৫) ও একই গ্রামের ময়েজ উদ্দিন শাহ্র ছেলে হাফিজুর রহমান (৩০)। তাদের কাছ থেকে একটি মোটরসাইকেল, একটি তারকাটা প্লাস, একটি কাপড় মাপা টেপ, লুট করে নিয়ে যাওয়া সোনার একটি মাদুলি ও একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।

গোদাগাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিপজুর আলম মুন্সি জানান, গ্রেপ্তার দু'জন প্রতারক ও ছিনতাইকারী। গতকাল সন্ধ্যায় তারা নিজেদের চিকিৎসক পরিচয় দিয়ে উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের সিজনা পুলপাড়া গ্রামে আশিয়া বেগম (৫০) নামে এক নারীর বাড়িতে ঢোকেন। এ সময় ওই বাড়িতে আশিয়া ছাড়া অন্য কেউ ছিলেন না।

ওসি জানান, আশিয়া বেগম সম্প্রতি তার চোখে অস্ত্রপচার করেছেন। গ্রেপ্তার রেজাউল ও হাফিজুর আশিয়া বেগমকে বলেন তারা হাসপাতাল থেকে তার চোখ পরীক্ষা করতে এসেছেন। এ সময় তারা ওই নারীর চোখ 'পরীক্ষা' করেন। এরপর তারা আশিয়াকে বলেন, চোখ পরীক্ষার জন্য তার গলা কাপড় মাপা টেপ দিয়ে মাপতে হবে। এ জন্য তার গলায় থাকা সোনার মাদুলি খুলতে হবে। আশিয়া তার মাদুলি খুলে দেন। তারা টেপ দিয়ে আশিয়ার গলা মাপেন।

এরপর তারা একই কায়দায় হাত মাপার নামে সোনার বালা খুলতে চান। এতে আশিয়া বেগমের সন্দেহ হলে তিনি চিৎকার দেন। এ সময় রেজাউল ও হাফিজুর ওই বাড়ি থেকে একটি মোবাইল ফোন ও গলার মাদুলি নিয়ে মোটরসাইকেলযোগে পালিয়ে যান। এরপর স্থানীয়রা ফোন করে বিষয়টি পুলিশকে জানান।

ওসি আরও জানান, খবর পেয়ে তাদের পালিয়ে যাওয়া পথের সামনে অবস্থান নেয় পুলিশ। এরপর মোটরসাইকেল নিয়ে তারা বাসুদেবপুর এলাকায় পুলিশের সামনে গেলে তাদের গতিরোধ করে আটক করা হয়। পরে প্রতারণার শিকার ওই নারীকে খবর দেওয়া হলে তিনি থানায় এসে ওই দুই প্রতারকের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে একটি মামলা করেন।

ওসি বলেন, 'গ্রেপ্তার রেজাউল ও হাফিজুরের কাছ থেকে জব্দ করা মোটরসাইকেলটিও চোরাই বলে মনে হচ্ছে। সে ব্যাপারে তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। বুধবার সকালে তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হবে।'