রাজশাহী অঞ্চলে অবশেষে এলো প্রাণ জুড়ানো বৃষ্টিরাবিতে ভাস্কর্য উল্টানোর ঘটনায় লিখিত অভিযোগরাজশাহীর পৃথক ঘটনায় ১২ লাখ ৭৫ হাজার টাকা ছিনতাইবাঘায় বীষমুক্ত বিদেশে রপ্তানীযোগ্য আম উৎপাদন বিষয়ক প্রশিক্ষণলাক্স সুন্দরী থেকে সুপ্রিম কোর্টের ব্যারিস্টারক্যামেরা রেখে আহত শিশুদের বাঁচালেন সাংবাদিকধর্মান্তরিত হয়ে হিন্দু-মুসলিম দুই স্ত্রী নিয়ে বিপাকে স্বামী, অতঃপর জেল হাজতেতিন মাসের শিশুকে আদালতে তলব!মমতার বিরুদ্ধে গরুর মাংস খাওয়ার অভিযোগশিব মন্দিরে বাজবে মাইক, সমঝোতায় হিন্দু-মুসলিমফেসবুকে দুই বাকপ্রতিবন্ধীর প্রেম, লন্ডন থেকে বাংলাদেশেবাঁশের খুঁটিতে বিদ্যুৎ জিআই পাইপে গ্যাসএকটি রসগোল্লার কারণে ভেঙে গেল বিয়ে!রাতে গৃহবধূর ঘরে পুলিশ, তালা লাগিয়ে গণপিটুনিপাবনায় যাত্রীবাহী বাস উল্টে নিহত ৩
০১ মে, ২০১৭
        

তিন বছরেও হয়নি সংস্কার ।। রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ মহাসড়কে সীমাহীন দুর্ভোগ

প্রকাশঃ ১৩ জানুয়ারী, ২০১৭

নিউজ ডেস্কঃ তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে খানাখন্দের মধ্যে অত্যন্ত ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে যানবাহন। প্রতিদিনই ঘটছে দুর্ঘটনা। ঘটছে প্রাণহানি। মাঝে মাঝে পাথর কুচি আর গুঁড়া ইট ফেলে তার ওপর পিচ ছিটিয়ে গর্তগুলো বন্ধ করা হচ্ছে। কিন্তু তা সাতদিনও স্থায়ী হচ্ছে না। মহাসড়কে আবারও ফিরছে চেনা দুর্ভোগ। এভাবেই গত তিন বছরের বেশি সময় ধরে সীমাহীন দুর্ভোগকে সঙ্গী করে লাখো মানুষ প্রতিদিন চলাচল করছে সড়কটি দিয়ে। এটি রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ মহাসড়ক। ৪৫ কিলোমিটার এ মহাসড়কের গোদাগাড়ী থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ বিশ্বরোডের মুখ পর্যন্ত ২৫ কিলোমিটারের অবস্থা খুবই ভয়াবহ। এ অংশটি হয়ে উঠেছে সাক্ষাৎ মরণফাঁদ। রাজশাহী সড়ক ও জনপথ বিভাগের বিবেচনায় গুরুত্বপূর্ণ এ মহাসড়কটি বর্তমানে দেশের মধ্যে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ সড়কগুলোর একটি। সোনামসজিদ স্থলবন্দরের আমদানি-রফতানির নিকাশ পথ এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন ২০ হাজারের বেশি হালকা ও ভারি যানবাহন চলাচল করে। সড়কটি দিয়ে স্বাভাবিকভাবে যান চলাচল ব্যাহত হওয়ায় দেশের আমদানি-রফতানিও মারাত্মকভাবে ক্ষতির মুখে পড়েছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহীর ব্যবসা-বাণিজ্যেও পড়েছে প্রতিকূল প্রভাব। পরিস্থিতির ভয়াবহতা দেখতে ১০ জানুয়ারি সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব জাহেদা খানম চাঁপাইনবাবগঞ্জ-রাজশাহী সড়কটি পরিদর্শন করেন। তিনি দ্রুত সড়ক সংস্কার শুরুর জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন। সড়ক ও জনপথ বিভাগের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. আবু রওশন বুধবার তার দফতরে যুগান্তরকে বলেন, সড়কটির অবস্থা খুব খারাপ তাতে সন্দেহ নেই। তবে আগামী মার্চের প্রথম সপ্তাহে কাজ শুরু হবে বলে আমরা আশা করছি। আর জুনের মধ্যেই কাজ শেষ হবে। এত গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়ক তিন বছরের বেশি সময় ধরে খারাপ অবস্থায় পড়ে রয়েছে কেন- জানতে চাইলে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আরও বলেন, টেন্ডার পদ্ধতির জটিলতার কারণেই সড়কটি সংস্কারে কয়েক মাস দেরি হয়েছে।

সম্প্রতি সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে রাজশাহী মহানগরীর কাশিয়াডাঙ্গা থেকে গোদাগাড়ী পর্যন্ত ৩০ কিলোমিটারে কোনোভাবে যান চলাচল করতে পারলেও গোদাগাড়ী থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ বিশ্বরোড মুখ পর্যন্ত ২৫ কিলোমিটারের অবস্থা খুবই ভয়াবহ। এই ২৫ কিলোমিটারে দুই হাত পরপর গর্ত। এ অংশে সড়কের ওপর কোনো কার্পেটিং অবশিষ্ট নেই। হাতনাবাদ, বালিয়াঘাটা ও দারিয়াপুর অংশে কার্পেটিং তুলে ইট বিছিয়ে হেরিংবন্ড করা হয়েছে। কামারপাড়া, বাসুদেবপুর, সুলতানগঞ্জ, অভয়া ও জাহানাবাদ এলাকার পুরোটাই খানাখন্দে ভরা সড়কে যানবাহন চলাচল করছে থেমে থেমে। রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ সড়কটি অতিক্রম করতে স্বাভাবিক সময়ে এক ঘণ্টা লাগলেও বর্তমানে দুই থেকে আড়াই ঘণ্টার বেশি সময় চলে যাচ্ছে।