রাজশাহী অঞ্চলে অবশেষে এলো প্রাণ জুড়ানো বৃষ্টিরাবিতে ভাস্কর্য উল্টানোর ঘটনায় লিখিত অভিযোগরাজশাহীর পৃথক ঘটনায় ১২ লাখ ৭৫ হাজার টাকা ছিনতাইবাঘায় বীষমুক্ত বিদেশে রপ্তানীযোগ্য আম উৎপাদন বিষয়ক প্রশিক্ষণলাক্স সুন্দরী থেকে সুপ্রিম কোর্টের ব্যারিস্টারক্যামেরা রেখে আহত শিশুদের বাঁচালেন সাংবাদিকধর্মান্তরিত হয়ে হিন্দু-মুসলিম দুই স্ত্রী নিয়ে বিপাকে স্বামী, অতঃপর জেল হাজতেতিন মাসের শিশুকে আদালতে তলব!মমতার বিরুদ্ধে গরুর মাংস খাওয়ার অভিযোগশিব মন্দিরে বাজবে মাইক, সমঝোতায় হিন্দু-মুসলিমফেসবুকে দুই বাকপ্রতিবন্ধীর প্রেম, লন্ডন থেকে বাংলাদেশেবাঁশের খুঁটিতে বিদ্যুৎ জিআই পাইপে গ্যাসএকটি রসগোল্লার কারণে ভেঙে গেল বিয়ে!রাতে গৃহবধূর ঘরে পুলিশ, তালা লাগিয়ে গণপিটুনিপাবনায় যাত্রীবাহী বাস উল্টে নিহত ৩
০১ মে, ২০১৭
        

ভবন পরিত্যক্ত তাই মাঠে পাঠদান

প্রকাশঃ ০৫ জানুয়ারী, ২০১৭

রাজশাহীর তানোর উপজেলার মুণ্ডুমালা পৌর এলাকার প্রকাশনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে এক বছর আগেই। এক বছর আগে কর্তৃপক্ষ পরিত্যক্ত ঘোষনা করলেও শিক্ষার্থীদের পাঠদান কোথায় করানো হবে সে বিষয়ে কোন দিকনির্দেশনা ও সহযোগিতা করেনি কর্তৃপক্ষ।

শিক্ষকেরা নিজের উদ্যোগে গত এক বছর ধরে প্রতিষ্ঠানে সামনে খোলা আকাশের নিচে প্রচণ্ড রোদ, কুয়াশা কোন সময় বৃষ্টি মধ্যেই ক্লাস করতে হচ্ছে কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীদের। এ বিদ্যালয়ের শিশু শিক্ষার্থীদের এমন কষ্ট পোহাতে হচ্ছে বহুদিন থেকে।

স্কুল কর্তৃপক্ষে তথ্য মতে, ১৯৭৩ সালে সেখানে তিন কক্ষবিশিষ্ট মাটির তৈরি ঘর করে স্কুলের কার্যকর্ম শুরু করা হয়। এরপর স্থানীয় সরকার অধিদপ্তরে অর্থায়য়ে ১৯৯৪ সালে প্রায় চার লাখ ২০ হাজার টাকা ব্যয়ে তিন কক্ষবিশিষ্ট ভবন নির্মাণ করা হয়। সে সময় ভবনটি নিন্মমানের উপকরণ দিয়ে তৈরি করায় মাত্র ২০ বছরেই ভবনের ছাদের পলেস্তার খসে পরতে থাকে। বড় বড় ফাটল ধরে ভয়ঙ্কর আকার ধারণ করে। কয়েক বছর আগে ভবনের বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসকে জানানো হলেও তারা কোন কর্নপাত করেননি।

গত বছর অভিভাবকরা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের বিষয়টি পুনোরাই জানালে স্থানীন সরকার অধিদপ্ত প্রকৌশলীকে ভবন পরিদর্শনে পাঠান। ভবনটিতে ফাটল সৃষ্টি হওয়ায় এবং ব্যবহারের অনুপযোগী হওয়ায় ২০১৬ সালে প্রথম দিকে ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষনা করা হয়। সে থেকে স্কুলটি প্রথম শ্রেণি থেকে ৫ম শ্রেণি প্রায় ২০০ শিক্ষার্থীর পাঠদান খোলা আকাশের নিচে নেয়া হচ্ছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক জানান, ভবনটি অতি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়াই শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা কথাভেবে গত একবছর থেকে বিদ্যালয়ের বাইরে পাঠদান করানো হচ্ছে। তবে গত কয়েক মাস আগে বিদ্যালয়ের পাশে দুইটি টিনসেটর ঘর তৈরি করা হয়েছে। সেখানে ঝড়-বৃষ্টি হলে শিক্ষার্থীরা যেন আশ্রয় নিতে পারে।

প্রধান শিক্ষক আরো জানান, ভবনটি গত এক বছর ধরে ঝুঁকিপূর্ণ থাকায় বিদ্যালয়ে অনেক অভিভাব তাদের ছেলেমেয়েদের স্কুলে পাঠাচ্ছে না। তারা অনেকে অন্য স্কুলে ভর্তি করা হচ্ছে। এক বছর আগেও প্রতিদিন শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি থাকত বেশ ভালো।

স্কুল সভাপতি শফিকুল ইসলাম জানান, ভবন ঝুঁকিপূর্ণ হওয়াতে, গত এক বছরের বেশি সময় আগে থেকে নতুন ভবনের জন্য কতৃপক্ষের কাছে আবেদন করেছি। কিন্তুু কতৃপক্ষ শুধু শান্তনা দেয়েই সময় পার করছে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) আব্দুল লতিব জানান, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা ভেবেই গত বছর ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। এবং পাশে তাদের ক্লাস করানো জন্য টিনসেট দিয়ে দুইটি ঘর তৈরি করা হয়েছে। তবে দুইটি ঘরে ক্লাশ করা একটু কষ্টে হচ্ছে। নতুন ভবনের অতি শিগ্রই হতে উপজেলায় তালিকায় তাদের এক নাম্বারে রয়েছে। সানশাইন।