রাজশাহী অঞ্চলে অবশেষে এলো প্রাণ জুড়ানো বৃষ্টিরাবিতে ভাস্কর্য উল্টানোর ঘটনায় লিখিত অভিযোগরাজশাহীর পৃথক ঘটনায় ১২ লাখ ৭৫ হাজার টাকা ছিনতাইবাঘায় বীষমুক্ত বিদেশে রপ্তানীযোগ্য আম উৎপাদন বিষয়ক প্রশিক্ষণলাক্স সুন্দরী থেকে সুপ্রিম কোর্টের ব্যারিস্টারক্যামেরা রেখে আহত শিশুদের বাঁচালেন সাংবাদিকধর্মান্তরিত হয়ে হিন্দু-মুসলিম দুই স্ত্রী নিয়ে বিপাকে স্বামী, অতঃপর জেল হাজতেতিন মাসের শিশুকে আদালতে তলব!মমতার বিরুদ্ধে গরুর মাংস খাওয়ার অভিযোগশিব মন্দিরে বাজবে মাইক, সমঝোতায় হিন্দু-মুসলিমফেসবুকে দুই বাকপ্রতিবন্ধীর প্রেম, লন্ডন থেকে বাংলাদেশেবাঁশের খুঁটিতে বিদ্যুৎ জিআই পাইপে গ্যাসএকটি রসগোল্লার কারণে ভেঙে গেল বিয়ে!রাতে গৃহবধূর ঘরে পুলিশ, তালা লাগিয়ে গণপিটুনিপাবনায় যাত্রীবাহী বাস উল্টে নিহত ৩
০১ মে, ২০১৭
        

চারঘাট হাসপাতালে নয় বছর ধরে সিজারিয়ান অপারেশন বন্ধ

প্রকাশঃ ০৪ জানুয়ারী, ২০১৭

চারঘাট :  নিরাপদ মাতৃত্ব সেবায় তিনবার পুরুস্কার প্রাপ্ত রাজশাহীর চারঘাট উপজেলা  স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৮ বছর যাবত সিজারিয়ান অপরাশেন বন্ধ। ফলে গরীব অসহায় রোগীর অভিভাবকরা পড়েছেন চরম বেকায়দায়। বিভিন্ন ক্লিনিকে অপরাশেন করাতে গিয়ে নিঃস্ব হচ্ছেন অনেকেই। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবী আগামী মার্চ মাসে মধ্যে চালু হতে পারে সিজারিয়ান অপারেশন।

সংশিষ্ট সুত্রে জানা গেছে, ২০০৮ সালে গাইনী বিশেষজ্ঞ ডাঃ শিপ্রা চৌধুরী চারঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে বদলী হয়ে যাওয়ার পর থেকে সিজার কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায় । আর এ কারণে গ্রামাঞ্চল থেকে আসা প্রসুতি রোগীদের  আশ্রয় নিতে হয় স্থানীয় বিভিন্ন ক্লিনিকে। আর এতে করে গুনতে হয় বিপুল পরিমানের অর্থের। অনেকেই আবার অর্থের অভাবে ঋনের জালে বন্দী হতে হয়।

পার্শ্ববর্তী বাঘা উপজেলার মীরগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা নাসির উদ্দিন জানান, কিছুদিন পূর্বে আমার স্ত্রীর প্রসব বেদনা উঠলে নিয়ে যাওয়া হয় চারঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক দ্রত সিজার করার পরামর্শ দেন। কিন্তু হাসপাতালে সিজারিয়ান বন্ধ থাকায় বাধ্য হয়ে স্থানীয় একটি ক্লিনিরকের সিজার করাতে হয়েছে। এতে আমার প্রায় ৭ হাজার টাকা খরচ হয়েছে।

তিনি বলেন, এর আগে চারঘাট হাসপাতালে সিজারিয়ান করাতে খরচ হতো ১৫শ টাকা থেকে ২ হাজার। সেখানে এতো টাকা খরচ করতে আমাকে অন্যের নিকট ধার নিতে হয়েছে। এমন কথা জানালেন অনেকই।

এ বিষয়ে চারঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান ডা: সাইফুল ফেরদৌস জানান, হাসপাতালে সিজার করতে মাত্র ১৫০০ টাকা থেকে ২০০০ টাকা খরচ হয়। কিন্তু বিভিন্ন ক্লিনিকে খরচ একটু বেশী। তবে দ্রুত সময়ের মধ্যে হাসপাতালে সিজারিয়ান চালু করা সম্ভব হবে বলে আশা করেন তিনি।