রাজশাহী অঞ্চলে অবশেষে এলো প্রাণ জুড়ানো বৃষ্টিরাবিতে ভাস্কর্য উল্টানোর ঘটনায় লিখিত অভিযোগরাজশাহীর পৃথক ঘটনায় ১২ লাখ ৭৫ হাজার টাকা ছিনতাইবাঘায় বীষমুক্ত বিদেশে রপ্তানীযোগ্য আম উৎপাদন বিষয়ক প্রশিক্ষণলাক্স সুন্দরী থেকে সুপ্রিম কোর্টের ব্যারিস্টারক্যামেরা রেখে আহত শিশুদের বাঁচালেন সাংবাদিকধর্মান্তরিত হয়ে হিন্দু-মুসলিম দুই স্ত্রী নিয়ে বিপাকে স্বামী, অতঃপর জেল হাজতেতিন মাসের শিশুকে আদালতে তলব!মমতার বিরুদ্ধে গরুর মাংস খাওয়ার অভিযোগশিব মন্দিরে বাজবে মাইক, সমঝোতায় হিন্দু-মুসলিমফেসবুকে দুই বাকপ্রতিবন্ধীর প্রেম, লন্ডন থেকে বাংলাদেশেবাঁশের খুঁটিতে বিদ্যুৎ জিআই পাইপে গ্যাসএকটি রসগোল্লার কারণে ভেঙে গেল বিয়ে!রাতে গৃহবধূর ঘরে পুলিশ, তালা লাগিয়ে গণপিটুনিপাবনায় যাত্রীবাহী বাস উল্টে নিহত ৩
০১ মে, ২০১৭
        

রামেক হাসপাতালের টয়লেটগুলো ময়লাতে ভর্তি, দূর্গন্ধে রোগীদের সীমাহীন দূর্ভোগ

প্রকাশঃ ৩০ ডিসেম্বর, ২০১৬
ফাইল ফটো.....

রাজশাহীঃ রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের শতাধিক টয়লেট ব্যবহার করতে পারছেন না রোগীরা। নিয়মিত পরিস্কার না করায় সৃষ্টি হয়েছে এ পরিস্থিতি। এছাড়া বেশকিছু টয়লেটের দরজায় রয়েছে সমস্যা। ফলে চরমে পৌঁছেছে ভোগান্তি।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শিগগিরই নষ্ট দরজা-জানালা মেরামত করে ব্যবহার উপযোগী করা হবে এসব টয়লেট। এনিয়ে মোটা অংকের অর্থের বরাদ্দও মিলেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, হাসপাতালে মোট ছয় শতাধিক টয়লেট রয়েছে। এর মধ্যে বিভিন্ন ওয়ার্ডের শতাধিক টয়লেটে নেই দরজার ছিটকিনি। এছাড়া কোনো কোনোটিতে আটকে রয়েছে ময়লা। পরিস্কার না করায় হয়ে পড়েছে ব্যবহার অনুপোযোগী। এসব টয়লেটে কমোড না থাকায় দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে রোগীদের। 

রোগী ও তাদের স্বজনদের অভিযোগ, নিয়মিত পরিস্কার করা হয় না টয়লেটগুলো। আবার যেগুলো পরিস্কার করা হয় সেগুলোও নামমাত্র। ফলে অধিকাংশ টয়লেটই হয়ে পড়েছে ব্যবহার অনুপযোগী। টয়লেটগুলো থেকে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছে ওয়ার্ডগুলোতে। অনেক রোগী ওই ময়লা টয়লেট ব্যবহার করায় দুর্গন্ধ আরও বাড়ছে। 

তবে বিষয়টি মানতে নারাজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এএফএম রফিকুল ইসলাম। তিনি উল্টো অভিযোগ করেন, রোগী ও তাদের স্বজনদের অধিকাংশই টয়লেন ব্যবহারে অভ্যস্ত নয়। এছাড়া অতিরিক্ত রোগীর চাপেই নোংরা হচ্ছে টয়লেট।

তিনি দাবি করেন, প্রতি ওয়ার্ডে দুজন করে সুইপার নিয়মিত টয়লেটগুলো পরিস্কার করেন। তবে পরিচ্ছন্নতা সংকট থাকায় কিছুটা বিলম্ব হয় এ কাজে।

তিনি আরো বলেন, বেশ কিছু টয়লেটের দরজা-জানলা ভাঙাচোরা। এগুলো মেরামোতের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। হাসপাতালের অন্যান্য মেরামত কাজের সঙ্গে এটিও করা হবে। এনিয়ে সম্প্রতি দুই কোটি টাকার উপরে বরাদ্দ মিলেছে। শিগগিরই এ কাজ শুরু করা হবে।